ইউটিউব থেকে ‘সিলভার প্লে বাটন’ পেলেন উদ্যোক্তা তৈরির কারিগর ইকবাল বাহার

ইউটিউব চ্যানেলে ১ লাখ সাবস্ক্রাইবারের মাইলফলক পার করে ‘সিলভার প্লে বাটন’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন উদ্যোক্তা তৈরির কারিগর ইকবাল বাহার। মঙ্গলবার(১৯ অক্টোবর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের ইউটিউব থেকে ‘সিলভার প্লে বাটন’ পাওয়ার কথা জানান ইকবাল বাহার।

বর্তমানে তার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবারে সংখ্যা ১ লাখ ৯ হাজার ছাড়িয়েছে। চ্যানেলটি থেকে ইতিমধ্যে উদ্যোক্তা বিষয়ক (প্রশিক্ষণ এবং স্কিল জাতীয়)  প্রায় সাড়ে ৮ শ’ ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে।

বর্তমানে তিনি সারাদেশের ৬৪ জেলায় এবং বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ প্রায় ৫ লাখ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন ‘নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন’ র মাধ্যমে। এর মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেরা ব্যবসা করছে।

ইকবাল বাহার জানান, ইউটিউব থেকে পাওয়া সব আয় অসহায় বাচ্চাদের লেখাপড়া ও মানবিক কাজে ব্যয় করা হয়। তাই যারা ভিডিও দেখছেন; তারাও আমার পাশাপাশি মানবিক কাজে অংশ নিচ্ছেন।

তিনি জানান, তিনটি এজেন্ডা প্রথমত উদ্যোক্তা তৈরি করা, দ্বিতীয়ত ১২টা স্কিল শিখানো এবং মানবিক এবং সামাজিক কাজ সবার মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন। যাতে করে ভালোমানুষি চর্চা অব্যাহত থাকে।

ইকবাল বাহার একজন উদ্যোক্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মেন্টর, ইন্সপিরেশানাল স্পিকার, নিউজ প্রেজেন্টার ও বিজনেস প্রোগ্রাম অ্যাংকর। জন্মস্থান ফেনীর ফুলগাজিতে । তিনি চার্টার্ড আকাউনটেন্সি (ইন্টার), এমকম ও এমবিএ করেন। ইন্টারনেট কোম্পানিতে চাকরি দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু করেন। এক সময় সেই রকম বিশাল একটি ইন্টারনেট কোম্পানির মালিক হন তিনি। চাকরি জীবনেও অত্যন্ত সফল ইকবাল বাহার খুব অল্প বয়সে একটি মাল্টিনেশানাল। কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার হন। মাল্টিনেশানাল কোম্পানির লোভনীয় চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে চাকরি করবো না চাকরি দেব’ এই দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করেন নিজের কোম্পানিতে।

উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন চাকরি জীবনের শুরুতেই। উদ্যোক্তা হয়ে উঠার গল্পটা এত সহজ ছিল না। ছিল ব্যাপক বাধা, অনিশ্চয়তা ও হেরে যাবার সম্ভাবনা। কিন্তু তিনি ছিলেন দৃঢ়চেতা ও ব্যাপক লেগে থাকা একজন স্বপ্নবাজ মানুষ। আজ তিনি অপ্টিমেক্স কমিউনিকেশন লিমিটেড ও আলাদীন ডট কম নামক দুটি কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর। সৃষ্টি করেছেন অসংখ্য মেধাবী তরুণদের কর্মসংস্থান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *